পার্টনারের পকেটে নির্ভর করে চলছেন? সতর্ক হন আজই! জানুন…

পার্টনারের পকেটে নির্ভর করে চলছেন? সতর্ক হন আজই! জানুন...

হাইলাইটস

  • এই কথাটা মানতেই হবে যে টাকা যার জোর তার।
  • কারণ হাতে টাকা থাকলে যে কোনও মানুষই মানসিক ভাবে শক্তিশালী থাকেন

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: যতই আমরা মুখে বলি না কেন টাকা পরে, ভালোবাসা আগে তবুও কিন্তু দিনের শেষে বেশি গুরুত্ব পায় অর্থ। কারণ অর্থ থাকলে তবেই জীবনে সুখ থাকে। অর্থ থাকলে তবেই নিজের মতো করে বাঁচা যায়। নিজের মতো করে চলা যায়। পরনির্ভরশীল হয়ে বেঁচে থাকার জ্বালা অনেক। সেই সঙ্গে যাঁর নূন্যতম আত্মসম্মান বোধ থাকে তিনি কিন্তু অন্যের থেকে হাত পেতে টাকা নিতে একটু কুন্ঠা বোধ করবেন। এখনও এমন ছেলে সংখ্যায় খুবই কম যে নিজের আয় থেকে মাসে কিছুটা পরিমাণ অর্থ তুলে দেয় তার হাতখরচার জন্য। কিছু এমন মানুষ আছেন যাঁরা চাকরি না করে নিজের মতো মন দিয়ে সংসার করাতেই বিশ্বাসী। যথেষ্ঠ শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্বেও বাড়ির রান্না, মাসকাবারি হিসেব, সন্তানের দেখভাল করেই জীবন কাটিয়ে দিতে চান।

কিছু এমন মানুষ থাকেন যাঁদের ইচ্ছে না থাকলেও চাকরি না পাওয়া অবস্থাতে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয়। পরবর্তীতে যে তাঁরা চাকরির সুযোগ পান এমনও নয়। বিয়ের পর নিজের শখকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন এরকমও অনেকে আছেন। তবুও নিজের সম্মান বজায় রাখার জন্যই এবং নিজের সমস্ত শখ আহ্লাদ যাতে নিজেই পূরণ করতে পারেন এটুকুর জন্যই কিন্তু সব মেয়ের চাকরি করা উচিত। সামান্য পছন্দের জিনিস কিনতেও যদি কারোর কাছে হাত পাততে হয় কিংবা আমার জন্মদিনে ঘড়ি চাই, বিবাহবার্ষিকীতে সিল্কের শাড়ি চাই এমন চাওয়াটা কিন্তু খুব লজ্জার। এছাড়াও আরও যে সমস্ত সমস্যা দেখা যায়-

টাকা যার মুলুক তার- এই কথাটা মানতেই হবে যে টাকা যার জোর তার। কারণ হাতে টাকা থাকলে যে কোনও মানুষই মানসিক ভাবে শক্তিশালী থাকেন। সেই সঙ্গে তিনি ধরেই নেন যে তিনি যা বলবেন তাই হবে। ফলে সবার উপর নিজের আদেশ চাপিয়ে দেওয়ার ইচ্ছে করেন।

যাবতীয় সিদ্ধান্ত তিনিই নেন- যে কোনও সংসারে স্বামী-স্ত্রী দুজনের যৌথ সিদ্ধান্ত নেওয়াই বাঞ্ছনীয়। কিন্তু সবার মধ্যে এই মানসিকতা থাকে না। এমন কিছু মানু আছেন যাঁরা ভাবেন তিনি রোজগার করছেন মানে তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই চূড়ান্ত। আর সেখানে যদি সঙ্গীর ইচ্ছে নাও থাকে তাহলে তাঁদের বিশেষ পাত্তা দেন না এঁরা।

মানসিকতায় পাত্তা দেন না- যাঁরা একার রোজগারে সংসার চালান কিংবা যে সব স্ত্রীরা স্বামীর আয়ের উপরেই নির্ভরশীল তাঁদের ইচ্ছেকে বেশিরভাগ সময়েই প্রাধান্য দেন না স্বামীরা। স্ত্রীয়ের ইচ্ছেকে নিয়ে অনেকে পরিহাস করেন, এমন মানসিকতাও থাকে। এছাড়াও স্ত্রীয়ের ভালোলাগায় একদম পাত্তা দেন না।

বেরিয়ে আসার সুযোগ থাকে না- প্রতিটি মেয়েরই কিছু না কিছু কাজ করা দরকার। ছেলেরা রোজগার কপবে আর মেয়েরা বাড়িতে থাকবে এই কনসেপ্ট কিন্তু আজকের দিনে আর চলে না। দুজনেই যখন সমান ভাবো রোজগার করবেন, দুজনের কেরিয়ার নিয়ে একটা ভালো অবস্থানে থাকবেন তখনই কিন্তু বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

চাকরি না থাকাটা অনেকেই দুর্বলতা বলে ধরে নেয়- কিছু ছেলে থাকেন যাঁরা কিন্তু স্ত্রীদের চাকরি না করাটা একটা দুর্বলতা বলে ধরে নেন। সেই নিয়ে মত বিরোধ, ঝামেলা এসব লেগেই থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে স্ত্রীদের দিক থেকে কোনএ খামতি থাকে না। তাঁরা যথাসাধ্য চেষ্টা করে যান। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করুন। ভালো থাকবেন।

Lifestyle News in Bengali, লাইফস্টাইল খবর, Health Tips, Fashion Trends and Tips in Bangla
2021-07-29 15:52:32
Source link

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *