মিউকরমাইকোসিস নতুন কিছু নয়, আগেও ছিল! করোনায় সুস্থ হয়ে কী করবেন? জানুন চিকিৎসকের পরামর্শ

মিউকরমাইকোসিস নতুন কিছু নয়, আগেও ছিল! করোনায় সুস্থ হয়ে কী করবেন? জানুন চিকিৎসকের পরামর্শ

হাইলাইটস

  • করোনা (Corona) আবহের মধ্যে নতুন করে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে ফাঙ্গাস সংক্রমণ (mucormycosis infection)।
  • ছত্রাক ঘটিত এই সংক্রমণকে মিউকরমাইকোসিস বলেও অভিহিত করা হচ্ছে।
  • করোনায় সুস্থ হলেও অনেকের মধ্যেই রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা তলানিতে পৌঁছয়।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা (Corona) আবহের মধ্যে নতুন করে মাথা ব্যথার কারণ হয়ে ফাঙ্গাস সংক্রমণ (mucormycosis infection)। ছত্রাক ঘটিত এই সংক্রমণকে মিউকরমাইকোসিস বলেও অভিহিত করা হচ্ছে। করোনায় সুস্থ হলেও অনেকের মধ্যেই রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা তলানিতে পৌঁছয়। তখনই এই জাতীয় ছত্রাক শরীরে বাসা বাঁধছে। এর পাশাপাশি যে সব রোগীকে দীর্ঘ দিন আইসিইউ-তে রেখে চিকিৎসা করাতে হয়েছে এবং যাঁদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবিটিস রয়েছে, তাঁদের শরীরের এই জাতীয় সংক্রমণের দেখা মিলছে। রোটারি নারায়াণা নেত্রালয়ের বিশিষ্ট চিকিৎসক মধুস্মিতা বেহেরা মিউকরমাইকোসিস (mucormycosis) নতুন কিছু নয়। আগেও ছিল। বর্তমানে করোনা (Covid) আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে বেশি হচ্ছে। ফলে, অনেক বেশি মানুষ এ বিষয়ে জেনেছেন।

তাঁর মতে, করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর কিছু মানুষের শরীরে এই জাতীয় ছত্রাকের সংক্রমণ (mucormycosis infection) দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেছেন, করোনা (Corona) থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পর রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা তলানিতে পৌঁছয়। সাধারণত এই ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হলে ফুসফুস, হৃদযন্ত্রে প্রভাব পড়ে।

ব্ল্যাক ফাঙ্গাস কি ছোঁয়াচে? এই রোগের উপসর্গ কী কী, জেনে নিন…
সেই সময় যদি কোনও রোগীর কোমরবিটি থাকে, তাহলে তাঁদের শরীরের এই জাতীয় সংক্রমণের দেখা মিলছে বেশি। প্রথমে সামান্য আকারে থাকলেও পরে বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। মূলত নাক ও চোখের মাধ্যমেই এই সংক্রমণ শরীরে প্রবেশ করে। এটি ব্যক্তির সাইনাস ও ফুসফুসে আক্রমণ করে। এর ফলে মুখের একদিক ফুলে যেতে পারে। তীব্র মাথা ব্যথা, নাক ও মুখের উপরের অংশে কালো ক্ষত, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। জ্বর, মাথা ব্যথা, ত্বকে লালচে হয়ে যাওয়া। নাক এবং চোখের চারপাশে ফুলে যাওয়া, চোখের পাতার ফোলাভাব, মুখের ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।

কিন্তু, মিউকরমাইকোসিস আছে তা জানা যাবে কীভাবে?
চিকিৎসক জানিয়েছেন, কোভিড রোগীর শরীরে মিউকরমাইকোসিস আছে কিনা তা জানতে আমাদের কিছু পরীক্ষা করা উচিত। যেমন- ইএনটি ডাক্তার, ডায়াগনস্টিক, এন্ডোস্কোপি, এমআরআই স্ক্যানের মাধ্যমে পরাক্ষা করে নেওয়া উচিত। এই ধরনের সংক্রমণ প্রথমে ধরা পড়লে চিকিত্সার মাধ্যেমে সারিয়ে তোলা যায়।

প্রাথমিকভাবে এই রোগ নির্ণয় করা গেলে মৃত্যুর হার কমে যাবে। কোভিজ হওয়ার পর আপনার যদি কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা যায় তবে, অবশ্যই সজাগ থাকুন এবং ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

Lifestyle News in Bengali, লাইফস্টাইল খবর, Health Tips, Fashion Trends and Tips in Bangla
2021-05-26 16:11:22
Source link

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *