World Asthma Day: হাঁপানির রোগীদের করোনার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি! সতর্ক থাকতে জানুন

World Asthma Day: হাঁপানির রোগীদের করোনার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি! সতর্ক থাকতে জানুন

হাইলাইটস

  • আজ মঙ্গলবার ৪ মে বিশ্ব অ্যাজমা দিবস ( World Asthma Day)।
  • প্রতিবছর মে মাসের প্রথম মঙ্গলবার সারা বিশ্বে এই দিনটি অ্যাজমা দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে।
  • অ্যাজমা বা হাঁপানি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিনটি পালন করা হয়।

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আজ মঙ্গলবার ৪ মে বিশ্ব অ্যাজমা দিবস ( World Asthma Day)। প্রতিবছর মে মাসের প্রথম মঙ্গলবার সারা বিশ্বে এই দিনটি অ্যাজমা দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। অ্যাজমা বা হাঁপানি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এই দিনটি পালন করা হয়। এই দিবস সর্বপ্রথম পালন করা হয়েছিল ১৯৯৮ সালের ৪ মে পোর্তুগালের বার্সেলোনা শহরে। সেই বছর অ্যাজমা সচেতনতা বাড়াতে বিশ্বের মোট ৩৫ টি দেশে এই দিনটি উদযাপিত করা হয়। এই বছরের থিম হল অ্যাজমা সম্পর্কে ভুল ধারণা থেকে বেরিয়ে আসুন (Uncovering Asthma Misconceptions)। আসলে অ্যাজমা বা হাঁপানি কোনও জটিল অসুখ নয়৷ সঠিক চিকিৎসায় এই রোগ থেকে সেরা ওঠা সম্ভব। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন৷ আনন্দে জীবন কাটান।

অন্যদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট, জ্বর, মাথা ব্যথা, হাঁচি, কাশির মতো সমস্যা দেখা দেয়— এ কথা আমরা এখন মোটামুটি সকলেই জানি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণে কোষগুলি ফুলে ওঠে। ভাইরাস অণুগুলি ফেটে চারপাশের অন্যান্য কোষগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। সংক্রমণ দ্রুত ব্রঙ্কিওল টিউবে ছড়িয়ে পড়ে। সংক্রমণ আরও বাড়লে ভাইরাসের অণুগুলি ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে ফুসফুসের মিউকাস মেমব্রেনে। ফুসফুসের দুই পা‌শের পেরিফেরিয়াল অংশ থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে শ্বাসানালীর উপরে ট্রাকিয়ার দিকে। সংক্রমণ ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়লে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীর থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের কাজটাও সঠিক ভাবে হয় না। ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলি ক্রমশ দুর্বল ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে।

করোনার উপসর্গ টের পাচ্ছেন? প্রথমেই যা করা জরুরি…

চিকিৎসকদের মতে, করোনার পজিটিভ রোগীর বেশি যত্ন নেওয়া দরকার। এই করোনাকালে চিকিৎসকরা হাঁপানি রোগীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। যেগুলি মেনে চললে ঝুঁকি অনেকটাই কমবে বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। আজ, বিশ্ব অ্যাজমা দিবস উপলক্ষে, হাঁপানি রোগীকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখতে হবে জেনে নিন-

হাঁপানির রোগীদের ঝুঁকি বেশি থাকে
করোনাভাইরাসের সংক্রমণে কোষগুলি ফুলে ওঠে। ভাইরাস অণুগুলি ফেটে চারপাশের অন্যান্য কোষগুলিতে ছড়িয়ে পড়ে সংক্রমণ। সংক্রমণ দ্রুত ব্রঙ্কিওল টিউবে ছড়িয়ে পড়ে। সংক্রমণ আরও বাড়লে ভাইরাসের অণুগুলি ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে ফুসফুসের মিউকাস মেমব্রেনে। ফুসফুসের দুই পা‌শের পেরিফেরিয়াল অংশ থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে শ্বাসানালীর উপরে ট্রাকিয়ার দিকে। সংক্রমণ ফুসফুসে ছড়িয়ে পড়লে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। যদি কোনও রোগীর হাঁপানি সমস্যা থাকে তবে তাঁর কোভিডের এর গুরুতর লক্ষণগুলির মুখোমুখি হতে পারে।

কোভিড -19 রোগীদের হাঁপানির সমস্যা থাকলে
করোনা সংক্রমণ গোটা বিশ্বকে গ্রাস করেছে, প্রাণ কেড়েছে লক্ষাধিক মানুষের। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (চেস্ট স্পেশালিস্ট) ডঃ সন্দীপ নায়ার বলেছেন মতে, যাঁদের হাঁপানির সমস্যা রয়েছে, তাঁদের এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি। তাই যাঁদের হাঁপানির সমস্যা বা শ্বাস-প্রশ্বাসের (Chronic Obstructive Pulmonary Disease) সমস্যা রয়েছে, করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে কী করবে তাঁরা? চিকিৎসক জানিয়েছেন, করোনার পজিটিভ রোগীদের প্রধান লক্ষণগুলি হল জ্বর, গলা ব্যথা, মাথা ব্যথা, কাশি এবং শ্বাসকষ্ট। এই শর্তগুলি মাথায় রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

সতর্কতা অবলম্বন করে চললে আর সঠিক চিকিৎসায় এই রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব

১) যাঁদের নিয়মিত ইনহেলার নিতে হয়, তাঁরা অবশ্যই নিয়ম মেনে ইনহেলার ব্যবহার করুন। ইনহেলারগুলি ভাল ভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখাটাও জরুরি।

২) ধূমপান এই রোগের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ধূমপান প্রত্যক্ষ হোক বা পরোক্ষ— তা হাঁপানির সমস্যা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। তাই ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করুন। সম্প্রতি ‘চাইনিজ সেন্টার্স অব ডিজিজ কন্ট্রোল’-এর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে জানা গিয়েছে, করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন ধূমপায়ীরা।

কোভিডকালে মুঠো মুঠো ভিটামিন C ট্যাবলেট নয়, ভরসা রাখুন সাইট্রাস ফলে!

হাঁপানি রোগীদের জন্য সাবধানতা

১. যদি আপনি হাঁপানির রোগী হন এবং সম্প্রতি কোভিড সংক্রমিত হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই টিকা নিন।

২. আপনি যদি ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার পর সংক্রামিত হন তবে দ্বিতীয় ডোজটি নেওয়ার জন্য কমপক্ষে এক মাস অপেক্ষা করুন।

৩. আপনার যদি হাঁপানি ছাড়াও ক্যানসার, এইচআইভি থাকে তবে ভ্যাকসিন নেওয়ার পরিকল্পনা করার আগে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

৪. বাড়ি থেকে বেরোবেন না খুব বেশি জরুরি অবস্থা থাকলে ডাবল মাস্ক পরুন।

৫. অ্যাজমা রোগীদের ধূমপান এড়িয়ে চলা উচিত।

৬. হাঁপানির রোগীরা ইনহেলার ও নির্ধারিত ওষুধ থাকলে সেগুলি সেবন করুন। সর্বদা প্রয়োজনীয় ওষুধের স্টক রাখুন।

৭. পুষ্টি এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করার চেষ্টা করুন।

৮. বাইরের খাবার থেকে যত বেশি দূরে থাকবেন, তত ভালো হবে।

টাটকা ভিডিয়ো খবর পেতে সাবস্ক্রাইব করুন এই সময় ডিজিটালের YouTube পেজে। সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন।

Health and Fitness Tips in Bengali শরীর-গতিক, Yoga and Exercise Tips in Bangla
2021-05-04 19:36:05
Source link

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *