মিসিং এক্সারসাইজ

মোটামুটি সব কর্মরত মহিলারই একই কাহিনী। সকালে ঘুম থেকে উঠে বাচ্চার স্কুল, ঘরের টুকটাক কাজ, সকালের নাস্তা রেডি করা, হাজব্যান্ডকে অফিস যেতে হেল্প করা ফের নিজের অফিসে রওনা হওয়া। সারাদিন পরিশ্রম। বাড়ি ফিরে আবার একগাদা দায়িত্ব। এ সময়ের মাঝে নিজের প্রতি যত্নই নেওয়া হয় না। ফিটনেস লেভেল বলতে গেলে একেবারে জিরো।

কিন্তু সব কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে গেলে নিজের ফিট থাকা জরুরি- এ উপলব্ধি হয় না অনেকরই। বা উপলব্ধি হলেও সময়ের অভাবে এক্সারসাইজ করা হয়ে ওঠে না। তার ওপর বাইরে খাওয়া-দাওয়া তো আছেই। সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যের একেবারে বারোটা। তবে যদি সুস্থ থাকতে চান একটু সচেতন থাকতেই হবে এবং ব্যস্ত জীবনের মাঝেও খুঁজে বের করতে হয় এক্সারসাইজের জন্য সময়।

যা করবেন

০০ সকালে নির্দিষ্ট সময়ের আগে উঠুন। এক্সারসাইজ মানেই যে জিমে যেতে হবে, তা নয়। বাড়িতেই আধঘণ্টার জন্য ফ্রি-হ্যান্ড করলেই তরতাজা থাকতে পারবেন।

০০ সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা একটা চমৎকার ব্যায়াম। লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করুন। এতে আপনার পায়ের মাসলগুলো টোন হবে এবং হার্টও ভালো থাকবে।

০০ অফিস যদি আপনার বাড়ি থেকে খুব বেশি দূরে না হয়, তাহলে ট্যাক্সি বা গাড়িতে না চড়ে হেঁটে যাতায়াত করুন। এতে আপনার এক্সারসাইজও করা হবে এবং অতিরিক্ত ওজনও কমবে।

০০ নিয়ম মেনে এক্সারসাইজ করতে ভালো না লাগলে সাঁতার কাটতে পারেন অথবা টেনিস খেতে পারেন। এটা খুব কাজে দিবে।

০০ উইক এন্ডকে কাজে লাগান। এক্সারসাইজ করার জন্য পুরো পরিবারকে উদ্বুদ্ধ করুন। সবাই মিলে এক্সারসাইজ করার মজাই আলাদা। এতে পরিবারের সঙ্গে সময়ও কাটানো হবে সেই সাথে শরীরের যত্ন নেওয়াও হবে। এক্ষেত্রে সবাই মিলে ক্রিকেট খেলাও হতে পারে ফিট থাকার আইডিয়াল উপায়।

তাসনুভা মেঘ
মডেল নাফিজা
ছবি সাফাওয়াত খান সাফু
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, মে ২৫, ২০১০

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *