সঙ্গীর ব্যবহার আপত্তিজনক! যে সব আচরণে আগেভাগেই সতর্ক হবেন…

সঙ্গীর ব্যবহার আপত্তিজনক! যে সব আচরণে আগেভাগেই সতর্ক হবেন...

হাইলাইটস

  • কিছু মানুষ নিজেদের সীমাটা ঠিক বোঝেন না।
  • কোথায় কোন কথা বলা উচিত,
  • কার জীবনে কতটা প্রবেশ করা উচিত এসব বোধ একেবারেই থাকে না

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক: কিছু মানুষ থাকেন যাঁদের প্রথম থেকেই একরকম অন্ধ কিছু বিশ্বাস থাকে। মন খুলে মিশতে পারেন না। সেই সঙ্গে মন খুবই সংকীর্ণ। ছোট থেকে একরকম মানসিকতায় এঁরা অভ্যস্ত। কিছুতেই এঁদের সেখান থেকে বের করে আনা যায় না। কার সঙ্গে কেমন ব্যবহার করা উচিত, কার জীবনে ঠিক কতটা প্রবেশ করা উচিত এঁরা সেটা একেবারেই বোঝেন না। ঠিক তেমন মানুষই হল রাহুল। পড়াশোনায় ভালো নিঃসন্দেহে, কিন্তু মানসিকতায় সেই আদ্যিকালের। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মতো নয়। বলা ভালো ছোট থেকে ও এভাবেই অভ্যস্ত। বাড়িতে এমনই শেখানো হয়েছে ওকে। প্রেয়সী ওর পড়াশোনা, জ্ঞানের প্রেমে পড়েছিল। কিন্তু ব্যক্তি রাহুলকে সে যে মোটেই পছন্দ করে না তা বুঝতে পেরেছিল কয়েকদিন পর থেকে। যবে থেকে দেখল তার পোশাক, তার খাওয়াদাওয়া, সে কখন কোথায় যাচ্ছে এসবে নজরদারি করছে রাহুল সেদিনই ও বুঝল পরিস্থিতি ঠিক সুবিধের নয়।

জোর করেই তার চারপাশে একটা গণ্ডি কেটে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাহুল। যেটা তার মা-বাবাও কোনও দিন করেননি। এমনকী কলেজ থেকে ফেরার পথে প্রেয়সীর কি খাওয়া উচিত সেসবেও মাথা গলাচ্ছিল রাহুল। এমন একটি ছেলের সঙ্গে আর যাই হোক প্রেমের সম্পর্ক যে কোনও ভাবেই রাখা যাবে না তা ঠিকই করে ফেলেছিল প্রেয়সী। সেই মতো সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এলো। যদিও প্রথম দিকে রাহুল অনেক বাধা দিয়েছিল। কিন্তু এমন বিরক্তিকর সঙ্গীকে চিনবেন কীভাবে, কীভাবেই বা বুঝবেন যে সুস্থ কোনও মানুষের পক্ষে তাঁর সঙ্গে থাকা সম্ভব নয়-

অতিরিক্ত অধিকারবোধ (Possessiveness)- কিছু মানুষ নিজেদের সীমাটা ঠিক বোঝেন না। কোথায় কোন কথা বলা উচিত, কার জীবনে কতটা প্রবেশ করা উচিত এসব বোধ একেবারেই থাকে না। নিজেদের শ্রেষ্ঠ মনে করেন। আর সেখান থেকে নিজেদের মত সবার উপর জোর করে চাপিয়ে দিতে চান। সেই সঙ্গে এঁরা ভীষণ রকম হিংসুটে হন।

একটা সীমা টেনে দেন- এঁরা নিজেরা সবসময় একটা শঙ্কায় থাকেন। সেই সঙ্গে দেখনদারির জন্য একটা সীমার মধ্যে রাখতে চেষ্টা করেন সঙ্গীকে। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস বিন্দুমাত্র থাকে না। সেই সঙ্গে তাঁরা ভাবেন এই বুঝি তাঁর সঙ্গী হাতছাড়া হয়ে গেল। এই রকম মানুষ সহজে কাউকে বিশ্বাস করতে চান না।

সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান- প্রত্যেক মানুষের নিজের জীবনে নিজের মতো করে বাঁচার অধিকার রয়েছে। তিনি কখন কি করবেন, কী খাবেন কী ভাবে জীবন চালাবেন তা তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত। কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যাঁরা আগ বাড়িয়ে সবেতেই নাক গলান। সেই সঙ্গে অন্যের জীবন নিজের মতো করে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান। এতে সমস্যা বাড়ে অনেকখানি।

কারণ ছাড়াই আক্রমণ- এমন মানুষরা কথায় কথায় অন্যকে ছোট করতে ভালোবাসেন। বলা ভালো এমন কিছু করলে তবেই এঁরা মানসিক শান্তি পান। তাই আকারণ অপমান, আক্রমণ এসব এঁদের মধ্যে সব সময় থাকে। যুক্তি ছাড়াই বহুক্ষণ তর্ক চালিয়ে যেতে পারেন। নিজেদের রাগ অন্যের উপর বর্ষণ করতে বেশি ভালোবাসেন। এমন মানুষের সঙ্গে কথা না বাড়িয়ে আগেভাগেই সরে আসুন।

Lifestyle News in Bengali, লাইফস্টাইল খবর, Health Tips, Fashion Trends and Tips in Bangla
2021-06-29 23:41:14
Source link

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *