আপনার প্রিয় এই সব খাবারের নামকরণ হয়েছে বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামে! জানতেন?

আপনার প্রিয় এই সব খাবারের নামকরণ হয়েছে বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামে! জানতেন?

হাইলাইটস

  • হাল্কা খিদের মুখে স্যান্ডউইচে কামড় বসিয়েছেন অনেকেই বা ম্যাগিও চেখে দেখেছেন।
  • কিন্তু, জানেন কি ম্যাগি বা স্যান্ডউইচের নামের পিছনের গল্প? কেন এমন নাম হল এগুলির?

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: হাল্কা খিদের মুখে স্যান্ডউইচে কামড় বসিয়েছেন অনেকেই বা ম্যাগিও চেখে দেখেছেন। কিন্তু, জানেন কি ম্যাগি বা স্যান্ডউইচের নামের পিছনের গল্প? কেন এমন নাম হল এগুলির?

ম্যাগি: চটজলদি খাবার হিসেবে ম্যাগির জনপ্রিয়তার ধারে কাছে আর কেউ আসতে পারবে না। তা এই ম্যাগি নামটা এসেছে জুলিয়াস মাইকেল জোহানেস ম্যাগি-র নাম থেকে। কল-কারাখানার মজুরদের জন্য ঝটপট তৈরি করা যায় এমন কোনও স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা ভেবে ছিলেন তিনি। আর সেই ভাবনা থেকেই ১৮৮৬-এ ম্যাগি স্যুপ আর প্রি-কুকড ফুড বানিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তিনি।

নাচোস: এটি কী তা জানেন তো! মেস্কিকোর এই খাবার এখন কলকাতার মানুষজনের বেশ প্রিয়। আসলে ফ্রায়েড তোরতিয়ার মধ্যে ঝুরি ঝুরি করে চেডার চিজ, য়েলাপিনো আর নানা রঙের বেলপেপার দিয়ে বেশ মাখো মাখো করে বানানো হয় নাচোস। এই নামের পিছনে ছিল বিখ্যাত এক শেফের নাম। ১৯৪৩ সালে মেক্সিকান শেফ ইগনাশিও আনায়ার নামে নামকরণ হয় নাচোস। আসলে, আনায়ার ডাকনাম ছিল নাচোস। তাঁর এই ডাকনামের অনুকরণেই এই অসাধারণ স্বাদের খাবারের নাম হয় নাচোস।

স্যান্ডউইচ: আজকাল যাকে স্যান্ডউইচ বলেই জানি। সেটি আসলে তৈরি হয়েছিল আঠারো শতকে ইংল্যান্ডে। তাস খেলতে খেলতে টুকটাক কিছু খেতে চেয়েছিলেন ইংল্যান্ডের স্যান্ডউইচ শহরের চতুর্থ র্ল জন মন্টাগু। লে ওই তাস খেলার ফাঁকেই দুটো পাউরুটির স্লাইসে ঠান্ডা মাংসের টুকরো পুরে বানানো হয়েছিল জন মন্টাগুর খাবার।

একঘেয়ে ব্রেকফাস্ট খেয়ে খেয়ে ক্লান্ত? ট্রাই করুন পাউরুটির নতুন এই পদ…

টুন্ডে কে কাবাব: লখনউয়ের নবাবের জন্য তৈরি হয়েছিল টুন্ডে কে কাবাব। এমনই নরম, তুলতুলে যা মুখে দিলেই গলে যাবে। কারণ, দন্তহীন নবাব যে কাবাব চিবিয়ে খেতে পারবেন না! ১৬০টি মশলা মাখিয়েশেফ হাজি মুরাদ আলির নামেই ছড়িয়ে পড়ে এই কাবাবের সুখ্যাতি।

সিজার সালাড: অনেকেই এই স্যালাড খেতে পছন্দ করেন। ইতালি থেকে আমেরিকায় পাড়ি গিয়ে বেশ কয়েকটা রেস্তরাঁ খুলে বসেছিলেন সিজার কারদিনি। ১৯২৪-এ কিচেনে লেফ্টওভার ফুড দিয়েই তৈরি হয় একটি অন্য ধরনের সালাড। নাম দেওয়া হয় সিজার সালাড।

ব্লাডি মেরি: এই নাম নিয়ে নানা মুনির নানা মত। সবচেয়ে জনপ্রিয় গল্পটা হল, সালটা ১৯২১। প্যারিসের একটি বার-এ ভদকা, টোম্যাটো জুস দিয়ে দারুণ লাল রঙের ককটেল তৈরি করে ফেললেন ফেরনো পেতিওঁ। কিন্তু ককটেলের নাম কী রাখবেন তা ভেবেই সারা। এক যুবক ইংল্যান্ডের রানি প্রথম মেরির নামে ওই ককটেলের নাম দিলেন ব্লাডি মেরি।

Lifestyle News in Bengali, লাইফস্টাইল খবর, Health Tips, Fashion Trends and Tips in Bangla
2021-06-17 18:11:11
Source link

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *