পুরুষের দুর্বলতা বলতে যৌ* অক্ষমতা বা যৌ* আচরণে অতৃপ্তি, যৌ* অসন্তোষ ইত্যাদি বোঝানো হয়ে থাকে। মূলত যৌ* আচরণের যে দিকটি পুরুষের জন্য অত্যন্ত স্পর্শকাতর তা হলো পুরুষা ঙ্গ বা লি ঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। এটিকে আমরা অনেক সময় ই রে ক টা ই ল ডিসফাংশন বলে থাকি। অবশ্য মেডিকেল টার্ম হিসেবে একে ইম্পোটেন্স বা পুরুষত্বহীনতাও বলা হয়ে থাকে। একজন পুরুষ যখন যৌ* স ঙ্গ ম বা যৌ*মিলনের জন্য মনোশারীরিকভাবে প্রস্ততি লাভ করে তখন যদি তার লি ঙ্গ বা পুরুষা ঙ্গ স ঙ্গ মের জন্য উপযুক্তভাবে উত্থিন না হয় তবে তা তার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। সন্তোষজনকভাবে সে ক্স করার জন্য ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গের পর্যাপ্ত উত্থান একটি বাধ্যতামূলক আচরণ। এর ফলশ্রুতিতে পুরুষের যৌ* আগ্রহ বা যৌ* ইচ্ছার যেমন ঘাটতি দেখা যায় তেমনি চরমপুলক অনুভূতি লাভও তার ভাগ্যে জোটে না। যে পুরুষ এর ভুক্তভোগী তিনিই কেবল জানেন এর কেমন মর্মপীড়া। অথচ মেডিকেল স্বাস্থ্য বিজ্ঞানে পুরুষত্বহীনতার অনেক আধুনিক কার্যকারী চিকিৎসা রয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, ই রে ক টা ই ল ডিসফাংশন বা লি ঙ্গ উত্থানজনিত নানা সমস্যা যে কোনো বয়সের পুরুষের ক্ষেত্রেই হতে পারে। হঠাৎ করে দুই একবার লি ঙ্গ উত্থিন না হওয়া কোনো বড় সমস্যা নয় এটি আপনাআপনি দূর হয়ে যায়।

ফিজিশিয়ানরা সাধারণত ইম্পোটেন্স বা পুরুষত্বহীনতার টার্মটির পরিবর্তে ই রে ক টা ই ল ডিসফাংশন টার্মটি বেশি ব্যবহার করে থাকেন , কেননা এটি ইম্পোটেন্সির চেয়েও অনেক ব্যাপক অর্থ বহন করে। পুরুষের যৌ* কর্মের মানে যে কেবলমাত্র পুরুষা ঙ্গের ই রে ক শ ন বা উত্থান হওয়া তা কিন্তু নয় এর সঙ্গে মনোগত এবং আবেগজনিত অনেক ফ্যাক্টরই জড়িত। পুরুষত্বহীনতা শব্দটির সঙ্গে যেহেতু অনেক নেতিবাচক ধারণা জড়িত তাই ই রে ক টা ই ল ডিসফাংশন টার্মটি আমরা ব্যবহার করব। শারীরিক বা দৈহিক নানা কারণে যেমন লি ঙ্গ উত্থানে সমস্যা হতে পারে ঠিক তেমনি মানসিক সমস্যার কারণে বা আবেগজনিত বা সাইকোসে ক্সুয়াল (মানসিক যৌ* সমস্যা) ইত্যাদির কারণেও পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। যে কারণেই হোক না কেন ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয় হচ্ছে সবার আগে। সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার জন্য পুরুষত্বহীনতার জন্য উপযুক্ত কারণ খুজে বের করে তবেই তার চিকিৎসা করতে হবে। এ নিবন্ধে আমরা লি ঙ্গ উত্থানজনিত নানা সমস্যা যেমন-

  • কেন হয়?
  • এসমস্যার কি কি উপসর্গ রয়েছে?
  • কখন এ সমস্যা বেশি হয়?
  • কোন কোন ক্ষেত্রে এ সমস্যার ঝুঁকি বেশি থাকে?
  • কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত?
  • ই রে ক টা ই ল ডিসফাংশনের জন্য কি কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন?
  • এর আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা?
  • এটি কি ভাবে প্রতিরোধ করবেন?
  • প্রচলিত মেডিকেশন/ওষুধ?
  • সার্জারির মাধ্যমে চিকিৎসা এবং অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে আলোকপাত করব?

লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যার কারণ-

ই রে ক শ ন প্রবলেমের জন্য মূলত দুই ধরনের কারণ দায়ী। ফিজিক্যাল বা শারীরিক কারন-

(এটি সাধারণত রক্তনালী সম্পর্কীয় বা নার্ভের সাথে সম্পর্কিত) সাইকোলজিক্যাল বা মনোগত কারণ ঃ- নানা ধরনের মানসিক বিকারজনিত কারণে পুরুষত্বহীনতা অনেকক্ষেত্রেই ঘটে থাকে।

আবার অনেকের লি ঙ্গ উত্থানজনিত নানা সমস্যার পেচনে রক্তনালী, লার্ভ বা স্নায়ু, নানা ধরনের সাইকোলজিক্যাল বা মানসিক কারণজনিত ফ্যাক্টর দায়ী থাকতে পারে।

শারীরিক নানা কারণের মাঝে রয়েছে দীর্ঘ মেয়াদি অসুস্থতা, ইনজুরি বা আঘাত, অপারেশনজানত কারনে জটিলতা যেমন-প্রস্টেট সার্জারিজনিত সমস্যা ইত্যাদি। এসকল সমস্যার কারণে পেনিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্নায়ুবিক সংবেদী তাড়না ও রক্তপ্রবাহ বিঘ্নতা ঘটে থাকে। এখানে একটি কথা বলে রাখা প্রয়োজন ই রে ক শ ন হলো এক ধরনের ভাসকুলার বা রক্তনালীতে পর্যাপ্ত রক্ত সংবহনজনিত ঘটনা। যদি স্নায়ুতন্ত্র যৌ*শিহরণের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সিগন্যাল বা সংকেত পাঠাতে না পারে তাহলে পেনিসের রক্তনালীগুলোতে ই রে ক শ নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণে রক্ত আসে না ফলে লি ঙ্গ উত্থান ঘটে না। গবেষণা সমীক্ষায় প্রতীয়মান হয়েছে যে, শতকরা ৪৮ ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষত্বহীনতার মূল কারণ ভাসকুলারবা রক্তনালী সম্বন্ধীয় নানা সমস্যা শতকরা ১৪ ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষত্বহীনতার ক্ষেত্রে নার্ভকে দায়ী করা হয়েছে। নানা ধরনের নিউরোলজিক বা স্নায়ুবিক সমস্যার কারণে যৌ* অক্ষমতা ঘটতে পারে।

শতকরা ৩ ভাগ ক্ষেত্রে পেনিসের কাঠামো অথবা এর পার্শ্ববর্তী কোষকলাকে ই রে ক শ নের প্রবলেমের জন্য দায়ী করা হয়েছে।

কতক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াজনিত কারণে যেমন-যারা উচ্চ রক্তচাপবিরোধী ওষুধ সেবন বা করছেন বিষন্নতাবিরোধী ওষুধ সেবন করছেনতাদের ক্ষেত্রেও সাময়িক যৌ* অক্ষমতা ঘটাতে পারে।

হরমোনাল ফ্যাক্টরস বা হরমোনের তারতম্যজনিত কারণে পুরুষত্বহীনতা শিকার অনেকেই হতে পারে।

জিষ্কের স্বল্পতাজনিত কারণে অনেকের পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। সাধারণত শতকরা ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষত্বহীনতার কারণ হিসেবে শারীরিক অসুস্থতাগুলোকেই দায়ী করা হয়ে থাকে। দৈহিক বা শারীরিক অসুস্থতার জন্য যেমন ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানের সমস্যা হতে পারে। ঠিক তেমনি মনোগত নানা সমস্যায়ও যৌ* অক্ষমতা হতেই পারে। এগুলোর মাঝে রয়েছে ডিপ্রেশন বা বিষন্নতা এ্যাংজাইটি বা দুশ্চিন্তা, মনোদৈহিক চাপ বা স্ট্রেস, দীর্ঘমেয়াদি অনুশোচনাবোধ অথবা নারী-পুরুষের আন্তঃসম্পর্কজনিত নানা সমস্যা। এসকল নানা সমস্যায় যৌ* স ঙ্গ ম বা যৌ*মিলনের সময় পুরুষ একটু অন্যমনস্ক হয়ে থাকে ফলে স্বাভাবিক যৌ*তার জন্য যে শিহরণ লাভ করা উচিত তার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে যায়। ফলে ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থান ঘটে না।

সাইকোলজিক্যাল নানা সমস্যার জন্য শতকরা ৪০ ভাগেরও বেশি ক্ষেত্রে ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানে সমস্যা হয়:
যেসব পুরুষের বয়স ৫০ বছরের নিচে তাদের ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যার মূল কারণ সাইকোলজিক্যাল বা মানসিক সমস্যা।
নারী – পুরুষের মাঝে আন্তঃসম্পর্কজনিত নানা দ্বন্দ্ব ,দাম্পত্য কলহ দুজনের সাঝে অন্তরঙ্গ সম্পর্কের অনুপস্থিতি,একজন আরেকজনের নিকট নানা ব্যক্তিগত বিষয় গোপন করা ইত্যাদি নানা কারণে যৌ* পার্টনারদের মাঝেও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। আবার এটাও ঠিক যে, কোনো পুরুষ যদি নির্দিষ্ট কোনো নারীর প্রতি যৌ* আগ্রহ বা যৌ* ইচ্ছা হারিয়ে ফেলে তার ক্ষেত্রেও ই রে ক শ নের সমস্যা হতে পারে। যে পুরুষের হঠাৎ করে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে তারও লি ঙ্গ উত্থানে সমস্যা হতে পারে।

কতক পুরুষের আবার স্ত্রীর প্রথম সন্তান জন্মের পর সে ক্সুয়াল ই ন্টা র কোর্সে কতক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যার নানা উপসর্গ
পুরুষের পুরুষঙ্গ যখন উত্থিত না হয় তখন লি ঙ্গ সম্পর্কীয় কতক উপসর্গ দেখা দিয়ে থাকে। এগুলো হলোঃ

  • পুরুষ ইচ্ছা করলে পার্টনারের উপস্থিতিতে বা অনুপস্থিতিতে লি ঙ্গ উত্থান ঘটাতে পারে না। এর মানে হলো পুরুষ যদি পার্টনারের অনুপস্থিতিতে হস্তমৈথুন করতে চায় তথাপিও তাদের লি ঙ্গ উত্থিত হয় না।
  • একবার ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থান হলেও উত্থানজনিত অবস্থা একেবারে ধরে রাখতে না পারা। এর ফলে লি ঙ্গ একবার শক্ত হলেও একটু পরে আবার আগের মত স্বাভাবিক নরম অবস্থায় চলে যায়
  • যৌ* স ঙ্গ ম বা ই ন্টা র কোর্সের সময় স ঙ্গ মকে পরিপূর্ণতা দান করতে বা স ঙ্গ মে সন্তুষ্টি লাভ করতে যে পরিমাণ ই রে ক শ নের প্রয়োজন তা না হওয়া।
  • যৌ* আগ্রহ বা যৌ* ইচ্ছা ইত্যাদিতেও ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
  • পুরুষের চরমপুলকজনিত ব্যর্থতা এবং বীর্যস্খলনজনিত নানা সমস্যাও একই সঙ্গে বিরাজ করতে পারে।

কখন এ সমস্যা বেশি হয়
বেশিরভাগ পুরুষের প্রফেশনাল বা হঠাৎ করে দু-একবার লি ঙ্গ উত্থানের সমস্যা হতে পারে। কিন্তু এই লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা যখন দীর্ঘমেয়াদি রূপ লাভ করে এবং অব্যাহত থাকে তখনই তা ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের ওপরে এবং ব্যক্তির যৌ* জীবনে নানা ধরনের শষ্কা ও নেতিবাচক অনুভূতির জন্ম দেয়। এখানে একটি কথা বিশেষভাবে বলা দরকার একবার যাদের লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা হয়ে পড়ে তারা বারবার মনে করতে থাকে পরের বার যৌ*মিলনে সমস্যাটি বুঝি আবার হবে এই অতিরিক্ত আগাম যৌ* দুশ্চিন্তার কারণে যৌ*মিলনের সময় লি ঙ্গ উত্থান নাও ঘটতে পারে একে আমরা বলি পারফরমেন্স এ্যাংজাইটি। এই এ্যাংজাইটিজনিত কারণে সমস্যা অনেক বেড়ে যেতে পারে। আবার অনেক পুরুষ রয়েছে যাদের যৌ* স ঙ্গ মকালীন সময়ে লি ঙ্গ ঠিকই উত্থিত হল কিন্তু বর্ধিত যৌ* চাপের কারণে সাথে সাথেই বীর্যস্খলিত হয়ে গেল। এরও মূল কারণ এ্যাংজাইটি, এটাকে বলে প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন। আবার কতক পুরুষ রয়েছে যাদের সন্তোষজনক যৌ* স ঙ্গ মের জন্য অনেকক্ষণ লি ঙ্গকে জননাঙ্গর ভেতরে ক্রমাগতভাবে ঢুকাতে এবং বের করতে হয়। অনেকের ক্ষেত্রে এটি পুরুষা ঙ্গে ব্যথার উদ্রেক করতে পারে। যেহেতু এ ধরনের পুরুষদের ইজাকুলেশন বা বীর্যস্খলনে অনেক সময় প্রয়োজন হয় তাই তারা এ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ে। কেননা বীর্যস্খলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এরা চরমপুলক লাভ করতে পারে না।

এত কিছুর পরেও সৌভাগ্যের কথা এই যে, পুরুষত্বহীনতা বা যৌ* অক্ষমতার জন্য শারীরিক ও মানসিক যে কারণেই দায়ী হোক না কেন উপযুক্ত এবং বর্তমানে প্রচলিত আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়।

কোন কোন ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি থাকে
অনেকগুলো মেডিকেল ফ্যাক্টর রয়েছে যেগুলো পুরুষের মাঝে উপস্থিত থাকলে যৌ* অক্ষমতা বা পুরুষত্বহীনতার ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি বাড়ে। একটু আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, পুরুষত্বহীনতার জন্য রক্তনালী সম্পর্কীয় নানা অসুখ বা øায়ুবিক বা নার্ভ সম্পর্কীয় অসুখ ইত্যাদি দায়ী থাকতে পারে। যেসকল শারীরিক কারণে পুরুষত্বহীনতার

ঝুঁকি বাড়ে সেগুলোর কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলঃ
ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগঃ যেসকল পুরুষের ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ রয়েছে তাদের অনেকেই পুরুষত্বহীনতায় ভুগে থাকে। গবেষণা সমীক্ষায় প্রতীয়মান হয়েছে যে ডায়াবেটিস রোগ নির্ণীত হওয়ার ৫ বছরের ভেতরে প্রায় শতকরা ৫০ ভাগ ক্ষেত্রে পুরুষত্বহীনতার অভিজ্ঞতা লাভ করে।
উচ্চ রক্তচাপঃ-যেসকল পুরুষ উচ্চ রক্তচাপে ভোগে তাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রক্তনালীর ভেতরের লুমেন্ট বা গহ্বরে কোলেস্টেরল জাতীয় পদার্থ জমা হয়ে ভেতরে স্পেস বা জায়গা কমিয়ে দেয়। ফলশ্র“তিতে পর্যাপ্তপরিমাণ রক্ত এর ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে না। এ কারণেও ই রে ক শ ন সমস্যা দেখা দিতে পারে:

  • রক্তনালী সম্পর্কীয় অসুখ।
  • স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ।
  • রক্তে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল বিশেষত অল্প ঘনত্বমাত্রার কোলেস্টেরল এখানে উল্লেখ্য যে, যেসকল কোলেস্টেরল বেশি ঘনত্বের মাত্রার হয়ে থাকে সেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ভালো ।
  • যৌ* অঙ্গগুলোর স্বাভাবিক বিকাশ এবং কার্যকারীতার জন্য যেসকল হরমোনের প্রয়োজন সেগুলোর লেবেল যদি কম থাকে এ মেডিকেল জটিলতাটিকে আমরা বলি হাইপোগনাট ডিজাম। এর ফলে রক্তে টেস্টোস্টেরন হরমোনের লেবেলে আশষ্কাজনকভাবে কমে যায়। ফলশ্র“তিতে ই রে ক শ নে নানা ধরনের সমস্যার হতে পারে।
  • থাইরয়েড গ্রন্থি বা গ্ল্যান্ডের নানা ধরনের সমস্যার জন্য ই রে ক শ নে সমস্যা হতে পারে।
  • মাল্টিপল ক্লোরোসিস নামক স্নায়ুবিক অসুখটিতেও পুরুষত্বহীনতা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
  • পেনিস বা পুরুষা ঙ্গের কোনো ধরনের আঘাত বা শ্রোণী চক্রের কোনো ধরনের ইনজুরির জন্য এ সমস্যা হতে পারে।
  • পেলভিস বা শ্রোণী চক্রের সার্জারি বা অস্ত্রোপচার।
  • রেডিয়েশন ট্রিটমেন্ট বা রঞ্জনরশ্মির সাহায্যের চিকিৎসা
  • উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য যেসকল ওষুধ সেবন করা হয় তাদের কতকগুলোতে যৌ* অক্ষমতা দেখা দিতে পারে।
  • এন্টিডিপ্রেসেন্ট বা বিষন্নতারোধী কতক ওষুধ সেবনেও ই রে ক শ নের সমস্যা হতে পারে।
  • ডাইইউরেটিক বা মূত্রবর্ধক ওষুধ সেবনেও সাময়িকভাবে ই রে ক শ নের সমস্যা হতে পারে।
  • যারা দীর্ঘমেয়াদি এ্যালকোহল এবিউজ বা মদ্যপান করে থাকেন তাদের কতকের যৌ* অক্ষমতা দেখা দিতে পারেশ
  • ড্রাগ এডিক্স বা মাদকাসক্তের মাঝেও যৌ* অক্ষমতার প্রবণতা অপেক্ষাকৃত বেশি।
  • যারা অতিমাত্রায় ধূমপান করেন তাদের ক্ষেত্রেও পুরুষত্বহীনতা বিরল ঘটনা নয়।

এতক্ষণ আমরা পুরুষত্বহীনতা যেসব শারীরিক কারণে ঘটে সেগুলোর কথা বললাম এবার আসা যাক সাইকোলজিক্যাল বা মনোগত কি কি সমস্যায় ই রে ক শ নের ঝুঁকি বাড়ে।

ডিপ্রেশন বা বিষন্নতাঃ

  • এ্যাংজাইট বা দুশ্চিন্তা বা উদ্বেগরোগ।
  • আন্তঃসম্পর্কজনিত দ্বন্দ্ব সমস্যা(রিলেশনশিপ প্রবলেম)।
  • সাম্প্রতিক জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তী যেমন-বাচ্চার জন্মদান, চাকরি থেকে অবসর গ্রহন, চাকরি পরিবর্তী, কোনো অন্তরঙ্গ পার্টনারকে হারানো, অন্তরঙ্গ পার্টনারের মৃত্যু, বিবাহ বিচ্ছেদ ইত্যাদি কারণেও ই রে ক শ নের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।

কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন-

ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানে সহায়তা করে এরকম কোনো মেডিকেশন বা ওষুধ সেবনে (ইনজেকশন বা অন্য কোনো ওষুধ) চার ঘন্টার চেয়ে বেশি স্থায়ীভাবে ই রে ক শ ন থাকে তবে জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

নিন্মোক্ত মেডিকেল জটিলতায় ই রে ক শ নের সমস্যা হতে পারেঃ

  • পা, পশ্চাদদেশে বা পেনিসে অথবা শুক্রাশয়ে কোনো ধরনের ইনজুরি ।
  • যৌ*ঙ্গ এলাকায় চুল বা বগলের নিচে হঠাৎ করে চুলের পরিমানে হ্রসি পেলে এবং স্তরের বৃদ্ধি ঘটলে। ওপরের জটিলতাগুলোতে ফিজিশিয়ানের পরামর্শ নেয়া অত্যন্ত জরুরি।
  • যদি এক থেকে দুই সপ্তাহের মাঝে শতকরা ২৫ ভাগ ক্ষেত্রে আপনার ই রে ক শ ন না হয় এবং সাথে নিচের উপসর্গ বা লক্ষণগুলো থাকে তাহলেও ভালো ফিজিশিয়ানের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।
  • ই রে ক শ নের সমস্যাটি যদি পশ্চাদদেশে অবিরত ব্যথাসহকারে হয়ে থাকে।
  • লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা যদি নতুন কোনো ওষুধ সেবনজনিত কারণে অথবা ওষুধের ডোজের পরিবর্তনজনিত কারণে হয়ে থাকে।
  • যে কোনো ধরনের সমস্যা যাতে আপনার আত্ম ইমেজ পরিবর্তিত হয়/নিজের সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা জন্মে।

পর্যাপ্ত পরিমাণ য্তন নেয়ার পরেও যদি সমস্যার কোনো সাবধান না ঘটেঃ
আপনার যদি ই রে ক শ ন প্রবলেমের সাথে সমন্বিত হয় মূত্রতন্ত্র সম্পর্কীয় কোনো সমস্যা, তলপেটে ব্যথা বা পশ্চাদদেশের নিচের দিকে ব্যথা, জ্বর অথবা আঘাতজনিত কারণে অন্য কোনো উপসর্গ থাকে তাহলেও জরুরি ভিত্তিতে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন।

হঠাৎ করে দুই এবার ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থান না ঘটা সাময়িক হতে পারে। এটি আশা করা যায় ধীরে ধীরে অবস্থায় ফিরে যাবে। তাই এক্ষেত্রে আগেই ধারণা করা উচিত নয় যে, উত্থানজনিত সমস্যাটি আবারও ঘটবে যদি সম্ভব হয় তবে উত্থানজনিত যে সমস্যাটি ঘটেছিল সেটির কথা ভুলে যান এবং পরবর্তীতে আপনি আরো সুখকর যৌ*ানুভূতি লাভ করবেন মনে মনে এমন ধারণাটি পোষণ করুন। যৌ* পার্টনারের সঙ্গে আপনার সমস্যা নিয়ে, যৌ* আচরণে আপনার কোনো ভয়-ভীতি বা দুশ্চিন্তা থাকলে একেবারে খোলামেলা আলাপ-আলোচনা করুন। এতে অনেক বিষয়ে ডাক্তারের সাহায়তা ব্যতীত একটি ভালো পারস্পারিক সমঝোতায় পোঁছানো যায়।

যদি দুই সপ্তাহের ভেতরে আপনাদের সমস্যাটির সমাধান না হয় এবং প্রতি চারবারে একবার করে ই রে ক শ নের সমস্যা হয় তবে এ বিষয়ে কোনো প্রফেশনাল বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত। একটি গবেষণা সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, অনেক পুরুষ তাদের পুরুষত্বহীনতা বা যৌ* অক্ষমতার বিষয়টি সে ক্স পার্টনারের নিকট কৌশলে এড়িয়ে যেতে চান এবং অনেকদিন ভোগার পর গোপনে গোপনে ডাক্তারের পরামর্শ নেন। এ বিষয়ে সঠিক পরামর্শ হল আপনার যদি ইতিমধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ই রে ক শ ন বা উত্থানজনিত সমস্যা থাকে তাহলে সবরকম লাজ লজ্জা ঝেড়ে আপনার সে ক্স পার্টনারকে খুলে বলুন এবং প্রথমে একজন ই্উরোলজিস্ট ও তাতে কোনো শারীরিক কারণ খুঁজে না পাওয়া গেলে সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অতি সত্ত্বর নিন।

এ বিষয়ে কতক হেলথ প্রফেশনাল রয়েছে। যেমন- সাধারণ ফিজিশিয়ান, মেন্টাল হেলথ প্রফেশনাল। কতকক্ষেত্রে দেখ যায় যৌ*তা বিষয়ক এবং ই রে ক শ ন সম্পর্কিত নানা আলোচনায় তারা এসব প্রফেশনালদের সামনে এক ধরনের অস্বস্তি এবং অস্বাচ্ছন্দ্যবোধে ভুগে থাকে।ফলশ্র“তিতে তারা তাদের মূল যৌ* সমস্যার কথা ডাক্তারের কাছে মুখ খুলে বলতে পারেন না। অবশ্য এটা ঠিক যে, ডাক্তার এবং রোগী উভয়ের কিছু ক্রটি বিচ্যুতি থাকতে পারে। অনেক সাধারণ ফিজিশিয়ানসহ মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন যারা নিজেরাও যৌ*তা নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যভাবে খোলামেলা আলাপ-আলোচনা করতে পারেন না।

আপনার ই রে ক শ ন প্রবলেম বা লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা যদি সাইকোলজিক্যাল বা মানসিক সমস্যার কারণে হয়ে থাকে তবে আপনার নিম্নোক্ত হেলথ প্রফেশনালের পরামর্শ নেয়া উচিত।

  • সাইকিয়াট্রিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞ
  • সাইকোলজিস্ট বা মনোবিজ্ঞানী
  • সে ক্স কাউন্সিলর
  • কাপল বা মেরিটাল থেরাপিস্ট(দাম্পত্য সম্পর্কীয় বিশেষজ্ঞ)।

ই রে ক শ ন ডিসফাংশনে কি কি পরীক্ষা-নিরীক্ষা প্রয়োজন-
ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানঘটিত সমস্যা দূরীকরণে প্রথমত যা দরকার তা হচ্ছে উত্থানে ব্যর্থতার সঠিক কারণ খুঁজে বের করা। একটু আগেই উল্লেখ করেছি সাইকোলজিক্যাল বা মনোগত কারণ এবং ফিজিক্যাল বা শারীরিক কারণ যে কোনটিতেই ই রে ক শ ন সম্পর্কীয় সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেহেতু মনোদৈহিক নানা কারন এর সঙ্গে জড়িত তাই এর সঠিক রোগ নির্ণয় একটু জটিল।

সঠিক মূল্যায়নের জন্য একজন অভিজ্ঞ হেলথ প্রফেশনাল সাধারণভাবে নিম্নোক্তভাবে এগিয়ে থাকেন-

  • আপনার লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা থাকলে তার সাথে সমন্বিত হয়ে কি কি ঝুঁকিজনিত ফ্যাক্টর রয়েছে তা খুঁজে বের করা।
  • আপনার সম্পূর্ণ সে ক্সুয়াল বা যৌ*তার ইতিহাস নেয়া।
  • সম্পূর্ণ শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা (বিশেষত পেট, পেনিস বা পুরুষা ঙ্গ,প্রস্টেট বা পুরুষগ্রন্থি, রেক্টাম/মলাশয় এবং শুক্রাশয় ইত্যাদি।
  • রক্তের টেস্টোস্টেরন, প্রোলাক্টিন এবং থাইরয়েড হরমোনের মাত্রা পরীক্ষা করা।
  • ডায়াবেটিস রয়েছে কিনা রক্তের গ্লুকাজের মাত্রা ও প্রস্রাব পরীক্ষা করা।
  • নিদ্রাকালী লি ঙ্গ উত্থান ঘটে কিনা এবং লি ঙ্গ পর্যপ্ত পরিমাণে দৃঢ় থাকে কিনা তা পরীক্ষা করা। এটিকে পূর্বে স্ট্যাম্প টেস্ট বলা হতো।
  • বড় কোনো ধরনের সাইকোলজিক্যাল বা মনোগত কারণ রয়েছে কিনা তা জানার জন্য সম্পূর্ণ মানসিক বা সাইকোলজিক্যাল মূল্যায়ন পরীক্ষা করে দেখা দরকার।

এসকল নানা পরীক্ষ-নিরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করা সম্ভবপর হবে আপনার পুরুষত্বহীনতার বা যৌ* অক্ষমতার পেছনে মূলত কোন কারণেটি দায়ী। এর ওপর ভিত্তি করে আপনার ডাক্তার মেডিকেশন বা ওষুধ বা অপারেশন (শল্য চিহিৎসা) কোনটি নিতে হবে তা নির্ধারণ করবেন।

কতক পুরুষের আবার পেনিসে রক্তসংবহনকারী ধমনি এবং শিরা পরীক্ষা করতে হয়। এসব পরীক্ষা এক ধরনের ইন্ট্রাকেভার্নাস বা ইন্ট্রাইউরেথ্রাল ইনজেকশন দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কীয় কোনো ধরনের জটিলতা রয়েছে কিনা তাও ভালোভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। আলট্রাসনোগ্রাফি এবং রক্তনালীর একটি পরীক্ষা যাকে এনজিওগ্রাফি বলে তার মাধ্যমে মোটামুটি একটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে। পেনিসে সংবহনকারী রক্তনালীগুলোকে যদি মেরামত করার প্রয়োজন হয়ে পড়ে তাহলে সার্জারির মাধ্যমে তা করা সম্ভবপর।

তবে এটা ঠিক যে, পুরুষত্বহীনতার সঠিক কারণটি খুঁজে বের করা একটি জটিল প্রক্রিয়া। এটি করার জন্য আজ পর্যন্ত সরাসরি কোনো স্ক্রিনিং টেস্ট বা পরীক্ষা আবিস্কৃত হয়নি।

ই রে ক টা ই ল ডিসফাংশনে ট্রিটমেন্টঃ
লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা বা ই রে ক শ ন প্রবলেমের জন্য নানা ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা রয়েছে তবে এটি নির্ভর করে পুরুষত্বহীনতা কি কারণে হল তার ওপর। যদি মনোগত কারণে লি ঙ্গঘটিত সমস্যা হয় তবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞই এর সঠিক চিকিৎসা করতে পারে। শারীরিক বা ফিজিওলজিক্যাল কারণে যদি ই রে ক শ ন সম্পর্কীয় সমস্যা হয় তাহলে তার মূল চিকিৎসা করেন ইউরোলজিস্ট বা মূত্র ও জননতন্ত্র বিশেষজ্ঞ। কতক রোগীদের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে, ই রে ক শ নের সাথে জড়িত রয়েছে মনোদৈহিক উভয় রকমের মেডিকেল জটিলতা। সেক্ষেত্রে সার্বিকভাবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং ইউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে একত্রে চিকিৎসা নেয়া বাঞ্ছনীয়।

শুরুতে আমার উল্লেখ করেছিলেন ডাক্তাররা ইম্পোটেন্স বা পুরুষত্বহীনতার পরিবর্তে ই রে ক টা ই ল ডিসফাংশন টার্মটিকে বেশি উল্লেখযোগ্য মনে করেন। একজন পুরুষের যৌ*ক্রিয়া কেবলমাত্র পেনিসে ই রে ক শ ন নয় এর সঙ্গে মনোদৈহিক নানা জটিলা যৌ* আচরণ জড়িত। পুরুষত্বহীনতার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অনেকগুলো নেতিবাচক ধ্যান ধারণা।

চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় অনেক দিক বিবেচনা করে দেখা হয় রোগীর বয়স কত, রোগের তীব্রতা কেমন, যৌ*তা সম্পর্কে রোগীর দৃষ্টিভঙ্গি কেমন, যৌ* পার্টনারের সাথে তার সম্পর্ক, তারা কি কি যৌ* আচরণ করে থাকে, যৌ* স ঙ্গ মের পূর্বে তারা স ঙ্গ ম বহির্ভূত যৌ* আচরণ করে কিনা ইত্যাদি সবকিছু মূল্যায়ন করে উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা প্রয়োগ করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডাক্তাররা চেষ্টা করেন ননসার্জিক্যাল বা অপারেশন না করে ওষুধ দিয়ে বা মানসিক কারণ দায়ী থাকলে সে ক্স থেরাপি দিয়ে চিকিৎসা করতে। অগত্যা যদি সার্জারি অত্যাবশ্যকীয় হয়ে দাঁড়ায় সেক্ষেত্রে ইউরোলজিস্টরা শল্য চিকিৎসা করে থাকেন।

নানা ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার মধ্যে রয়েছে-

ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানের জন্য কেভারজ্যাক্ট নামক ইনজেকশন অথবা মিউস নামক এক ধরনের পদার্থ যা পেনিসে ঢোকাতে হয় এগুলোর মাধ্যমে খুব সহজেই লি ঙ্গ উত্থান ঘটে থাকে।

আপনি যদি কোনো ওষুধ সেবন করে থাকেন এবং ওষুধ সেবনজনিত কারণে ই রে ক শ নের সমস্যা দেখা দেয় তবে ডাক্তার আপনার জন্য ওষুধটি বদলিয়ে অন্য কোনো ওষুধ প্রেসক্রাইব করতে পারেন।

  • নানা ধরনের ভ্যাকুয়াম বা খালিকরণ সংকোচনক্ষম ডিভাইস দিয়ে চিকিৎসা।
  • পেনাইল ইমপ্ল্যান্টস(সার্জারির মাধ্যমে একপ্রকার চিকিৎসা)।

মনোগত কারণে যদি আপনার পুরুষত্বহীনতা ঘটে থাকে তবে অবশ্যই আপনার প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ সে ক্সুয়াল কাউন্সিলিং। অবশ্য ফিজিক্যাল ডিসঅর্ডারের জন্য যৌ* অক্ষমতায় ভুগছে এমন অনেক পুরুষের জন্যও সাইকোথেরাপি বা আচরণগত চিকিৎসার গুরুত্ব অপরিসীম। প্রায় সময়ই দেখা যায় শারীরিক কারণের পাশাপাশি সাইকোলজিক্যাল পুরুষত্বহীনতার সাথে জড়িত থাকতে পারে।

তবে এটা ঠিক যে, ই রে ক শ ন প্রবলেম বা লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যার সঠিকভাবে সংজ্ঞায়িত করা এবং পরিমাপ করা যেহেতু জটিল তাই কোন চিকিৎসা পদ্ধতি কতটুকু কার্যকারী তার সঠিক পরিসংখ্যান এখনো পর্যন্ত নির্ধারিত হয়নি। তবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে গড়পড়তা হিসেবে দেখা গেছে ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। তবে সাইকোলজিক্যাল চিকিৎসা যেহেতু দীর্ঘমেয়াদি তাই উচিত রোগীর পর্যাপ্ত ধৈর্য্যসহকারে মনোরগ বিশেষজ্ঞের সার্বিক তত্ত্বাবধানে থেকে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া।

অনেক পুরুষেরই আবার যৌ*তার এই ব্যাপারটি নিয়ে একটু ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে । তারা একবার লি ঙ্গ উত্থান ঘটার পরেও সাবলীলভাবে যৌ* সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারে না। পঠকদের জানার জন্য ভলা হয় যে, একবার যৌ*স ঙ্গম করার পর পুরুষের পেনিস কিছু সময়ের জন্য আপাত ঘুমন্ত অবস্থায় বিরাজ করে। এসময়ে লি ঙ্গ উত্থত হয় না তাই এটিকে কেউ যদি যৌ* অক্ষমতা মনে করেন তাহলে তিনি মারাক্তক ভুল করছেন। এই সময়টিতে সে ক্স পার্টনারকে নিয়ে আউটার কোর্স বা স ঙ্গ ম বহির্ভূত যৌ* আচরণে যেমন- চুমু দেয়া, একজন অন্যজনকে অন্তরঙ্গভাবে জড়িয়ে ধরা,স্তনে এবং শরীরের নানা অংশে মেসেজ করা,মৃদু চাপ্পড় ইত্যাদি করতে পারেন। দেখা যাবে একটু সময় পেরিয়ে যাবার পর পেনিস ধীরে ধীরে আবার উত্থিত হবে। তাই পুরুষদের এ ব্যাপারটি নিয়ে মাথা না ঘামানোই উচিত। সে ক্স থেরাপি বা সে ক্সুয়াল কাউন্সিলিং এক্ষেত্রে যদিও পুরুষকে ঘিরে তথাপি সে ক্স পার্টনারের সহযোগিতা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণও একটি উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। সে ক্স পার্টনারের সঙ্গে কলহ, মনের মিল না থাকা,একজন অন্যজনকে তীব্রভাবে সন্দেহ করা, ঘৃণা,বিদ্বেষ,ক্ষোভ ইত্যাদি থাকলে অবশ্যই মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া উচিত।

লি ঙ্গ উত্থাজনিত সমস্যার প্রতিকার

লি ঙ্গ উত্থানজনিত নানা সমস্যার প্রতিকারের ক্ষেত্রে প্রথমত বা করা দরকার তা হল অন্তরঙ্গ সম্পর্ক স্থাপন বা যৌ*মিলনের পূর্বে রিলাক্সড বা শিথিল থাকা। যৌ* দুশ্চিন্তা এড়িয়ে চলা। বিবাহের প্রারম্ভিক পর্যায়ে স্ত্রীর সঙ্গে নানা ধরনের যৌ* আচরণে পুরুষের মনে অনেত ধরনের ভয়-ভীতি বিরাজ করতে পারে। তাদের উচিত সম্পর্কে স্বাচ্ছন্দ্য,সাবনীল এবং স্বাস্থ্যকর দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা। যৌ*তা সম্পর্কে নেতিবাচক অনুভূতিগুলো এবং মনোভাবগুলো যৌ* সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বে ধীরে ধীরে মন থেকে সরিয়ে ফেলা দরকার। সে ক্সূয়াল অন্তরঙ্গতা বা যৌ*মিলনের পূর্বে স্ত্রীর সঙ্গে যৌ* উত্তেজনাকর নানা ধরনের খোলামেলা আলাপচারিতা, সোহাগী ভঙ্গিতে স্ত্রীকে আদর করা এবং একে অপরের সঙ্গে সবকিছু শেয়ার করা ইত্যাদি লি ঙ্গ বা পেনিসের উত্থানকে দৃঢ় করবে।

যে কথাটি মনে রাখা প্রয়োজন তা হলো -যৌ* আচরণ মানে কেবলমাত্র যৌ* স ঙ্গ ম নয়। এটি যৌ* আচরণের একটি অংশ। আপনি এবং আপনার সে ক্স পার্টনার যদি যৌ*মিলনের পূর্বে প্রেম নিবেদনের সময় একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা যৌ* আলাপে এবং হাল্কামাত্রার হাসি-ঠট্রামূলক খেলাচ্ছলে যৌ*ক্রীড়া করেন তবে এটি আপানাদের স্ট্রেসবা মনোদৈহিক চাপ এবং যৌ* দুশ্চিন্তা কমাতে অনেক সহায়তা করবে। এতে করে আপনি এবং আপনার পার্টনার যৌ*মিরনের আগের চেয়ে অনেক বেশি সুখবর অনুভূতি সঞ্চার করতে পারে।

বয়োঃবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ই রে ক শ নে একটু সমস্যা হওয়া বা একবার ই রে ক শ ন হওয়ারপর তা ধরে রাখা একটু কষ্টকর হতে পারে। তথাপি যৌ*মিলনের পূর্বে ফোরপ্লে বা যৌ*ক্রীড়া বা যৌ*ক্রীড়া এবং যৌ*মিলনের উপযুক্ত মানসিক পরিবেশ আপনার লি ঙ্গ উত্থানকে অব্যাহত রাখবে।

লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যার মেডিকেশন বা ওষুধ-

যেসকল মেডিকেশন বা ওষুধের মাধ্যমে লি ঙ্গ উত্থান ঘটতে পারে সেগুলো মূলত পুরুষত্বহীনতার মূল ডায়াগনোসিস বা কারণে ওপর নির্ভর করে। রক্তসংবহনতন্ত্র বা ভাসকুলার,হরমোনাল স্নায়ুতন্ত্র সম্পর্কীয় বা সাইকোলজিক্যাল (মনোগত কারণ) যে কারণে লি ঙ্গ উত্থানে সমস্যা হয় এদের প্রত্যেকটিরই খুব ভালো চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা রয়েছে। আমরা দীর্ঘ চিকিৎসা জীবনে দেখেছি ওষুধ চিকিৎসা পাশাপাশি বেশিরভাগ রোগীকে সে ক্সুয়াল কাউন্সিলিং(সাইকোথেরাপি) এবং সে ক্স থেরাপি বেশ ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখে। অবশ্য এসব ক্ষেত্রে দৈহিক কারণের পাশাপাশি মানসিক কারণও দায়ী থাকতে পারে।

লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যাটি যদি ওষুধ সেবনজনিত কারণে হয়ে থাকে তবে আপনার ডাক্তার ওষুধের ডোজ পরিবর্তনের কথা ভাবতে পারেন অথবা ওষুধ বদলিয়ে অন্য কোনো গ্র“পের মেডিকেশন প্রেসক্রাইব করতে পারেন। ওষুধ সেবনজনিত কারণে যদি সাময়িকভাবে আপনার লি ঙ্গ উত্থানে সমস্যা ঘটে তবে হুট করে ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত ওষুধ সেবন বন্ধ করে দেবেন না। প্রকৃত অর্থেই ওষুধ সেবনের জন্য এই সমস্যা হচ্ছে কিনা তা অভিজ্ঞ ডাক্তারই বলতে পারবেন।

ওষুধ দিয়ে চিকিৎসার মূল উদ্দেশ্য হলঃ

  • মেডিকেশন বা ওষুধজনিত কারণে ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানের তারতম্য ঘটলে ওষুধ নতুন করে এডজাস্ট করতে হবে বা নতুন কোনো ওষুধ দিয়ে তাতে পরিবর্তন আনতে হবে।
  • ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থান ঘটাতে সহায়তা করে এমন ওষুধ দিয়ে পেনিস বা লি ঙ্গে রক্ত প্রবাহ বাড়াতে হবে।
  • যৌ*মিলনের পূর্বে লি ঙ্গের উত্থান নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা বিশেষত পারফরমেন্স এ্যাংজাইটি কমাতে হবে। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে সেই বিশেষকালীন কি দুশ্চিন্তায় লি ঙ্গ উত্থান নাও হতে পারে।
  • আপনার রক্তে হরমোনের লেবেল বিশেষত টেস্টেস্টেরন থাইরয়েড হরমোন ইত্যাদি পরীক্ষা করে দেখা দরকার। পরীক্ষা করে যদি অস্বাভাবিক হরমোন লেবেল পরিলক্ষিত হয় তাহলে হরমোনাল
  • থেরাপির প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। অবশ্য হরমোনের তারতম্যজনিত কারণে লি ঙ্গ উত্থানের সমস্যা খুব বেশি একটা পাওয়া যায় না।

ডাক্তার আপনাকে যেসকল মেডিকেশন প্রেসক্রাইব করতে পারেন সেগুলো হলোঃ

 

  • লি ঙ্গ উত্থানে সহায়তাকরী মেডিকেশন যেমন-কেভারজ্যাক্ট, মিউস ইত্যাদি।
  • হরমোনাল থেরাপি বা বাইরে থেকে হরমোন দিয়ে চিকিৎসা।
  • ভায়াগ্রা বা সিলডেনাফিল হাইড্রোক্লোরাইড।
  • ইয়ামবিন দিয়ে চিকিৎসা।
  • অবশ্য ডাক্তার খালিকরণ ডিভাইস বা যন্ত্র এবং ইনজেকশন থেরাপি কোনটি দিয়ে চিকিৎসা চালাবেন তা তিনি নিজেই নির্ধারণ করবেন।

ই রে ক শ নের চিকিৎসা (সার্জারি)

ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যায় যখন মেডিকেশন বা ওষুধ সাইকোথেরাপি বা আচরণগত চিকিৎসা ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয় এবং রোগীর দৈহিক কোনো কারণ নির্ধারণ করা সম্ভবপর হয় তখন ডাক্তার আপনাকে সার্জারির পরামর্শ দিতে পারেন।এই সম্পর্কিত সার্জারি বা শল্যচিকিৎসাগুলো করে থাকেন ইউরোলজিস্টে বা মূত্র এবং জননতন্ত্র বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি পরিচালিত আমেরিকান ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে,পিনাইল ইমপ্ল্যান্টস(প্রতিস্থাপন) শতকরা ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। কতক পুরুষের ক্ষেত্রে আবার পেনিস বা লি ঙ্গে রক্ত সংবহনকারী নালীতে এক ধরনের চিকিৎসা করা হয় এটিকে আমরা রিপেআর থেরাপি বলে থাকি। যদি রক্ত সংবহননালীর কোনো অসুখের জন্য এমনটি হয়ে থাকে তাহলে সেটিকে শল্য চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো যেতে পারে। অনেক যুবকদের ক্ষেত্রে দেখা যায় কোনো ধরনের ইনজুরি বা আঘাতের কারণে রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হলে যেমন-বাস বা মোটরসাইকেল এক্সিডেন্ট তখন এ ধরনের সার্জারি খুব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এই ধরনের রিপেআর শল্য চিকিৎসা অভিজ্ঞ ইউরোলজিস্টের হাতে করানোই সমীচীন। অন্যথায় হিতে অহিত হওয়ার যথেষ্ঠ সম্ভবনা রয়েছে।

তাহলে দেখা যাচ্ছে সার্জারির মাধ্যমে মূলত ই রে ক শ নের যে চিকিৎসা প্রয়োগ করা হয় সেগুলো হলোঃ
পেনাইল ইমপ্ল্যান্টস (প্রতিস্থাপন)।
পুরুষা ঙ্গে রক্ত সংবহন নালীতে সার্জারি (রিপেআর থেরাপি)।
সবরকমের মেডিকেশন বা ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা ও সাইকোথেরাপি বা আচরণগত চিকিৎসা প্রয়োগ করার পর সার্জারির বিভিন্ন ধরনের বিপজ্জনক ঝুঁকি চিন্তা করে তবেই ডাক্তার আপনাকে শল্য চিকিৎসার পরামর্শ দেবেন। রক্ত সংবহন নালীর রিপেআর থেরাপির নামে যে সার্জারির কথা বলা হল সেগুলো কেবলমাত্র রিভাসকুলারাইজেশন স্পেশালিস্টারাই করে থাকেন।

ই রে ক টা ই ল ডিসফাংশনের অন্যান্য চিকিৎসাঃ
ইতিমধ্যে লি ঙ্গের উত্থানজনিত সমস্যায় অনেক চিকিৎসা পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিগুলো মূলত পূর্বের চিকিৎসার পদ্ধতিগুলোরই সামান্য রূপান্তর বা মোডিফিকেশন। এগুলোর মাঝে রয়েছে বিশেষ ধরনের খালিকরণের বা ভ্যাকুয়াম ডিভাইস এবং বিশেষ সাইকোথেরাপি(সে ক্স থেরাপি)।

ভ্যাকুয়াম ডিভাইস বা খালিকরন যন্ত্রের মাধ্যমে সব প্রকারের লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যার চিকিৎসা করা সম্ভব (ফিজিক্যাল বা শারীরিক, মনোগত সমস্যা এবং মিশ্র সমস্যা)।

যেসকল পুরুষের ই রে ক শ ন বা লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা ,মূলত মনোগত কারণে হচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে সাইকোথেরাপি বা আচরণগত চিকিৎসা অত্যন্ত কার্যকরী। এই চিকিৎসা থেরাপি অন্যান্য মেডিকেশন দিয়ে চিকিৎসা বা খালিকরণ ডিভাইসের পাশাপাশি চলতে পারে। তবে এর জন্য প্রয়োজন প্রচুর সে ক্সুয়াল কাউন্সিলিং। আমাদের দেশে এখন পর্যন্ত সে ক্সুয়াল কাউন্সিলিংয়ের জন্য আলাদাভাবে সে ক্স থেরাপিস্ট গড়ে ওঠেনি। এজন্য সে ক্স সমস্যার কাউন্সিলিং এখানে করে থাকেন অভিজ্ঞ মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞরা।এক ধরনের শারীরিক ব্যায়াম রয়েছে যাকে বলা হয় পেলভিক ফ্লোর এক্সারসাইজ। এ সম্পর্কে আমরা নানা প্রবন্ধে আলোচনা করেছি। এটি অনেকটা কেজেল এক্সারসাইজের মত, অনেক পুরুষের লি ঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যায় এটি ভালে কাজ করে থাকে। সবচেয়ে বড় কথা হল এই ব্যায়ামগুলোর বিপজ্জনক ঝুঁকি নেই। তবে এতে কাজ না হলে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। তাহলে অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতিতে মূলত যা দাঁড়ায় তা হলঃ

  • ভ্যাকুয়াম ডিভাইস বা খালিকরণ যন্ত্র।
  • সাইকোথেরাপি বা সে ক্সুয়াল কাউন্সিলিং।
  • সে ক্স থেরাপি।
  • আপনার জন্য কোন চিকিৎসা পদ্ধতি কার্যকরভাবে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে তা আপনার ফিজিশিয়ানই নির্ধারণ করবেন।

ই রে ক শ ন বা উত্থানঘটিত সমস্যা দূরীকরণে প্রথমত যা করা দরকার তা হচ্ছে উত্থানে ব্যর্থতার সঠিক কারণ খুঁজে বের করা। একটু আগেই উল্লেখ করেছি সাইকোলজিক্যাল বা মনোগত কারণ এবং ফিজিক্যাল বা শারীরিক কারণ যে কোনোটিতেই ই রে ক শ ন সম্পর্কী সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেহেতু মনোদৈহিক নানা কারণ এর সঙ্গে জড়িত তাই এর সঠিক রোগ নির্ণয় একটু জটিল।

Source: blogspot.com