বাংলাদেশে বছরে প্রতি লাখে ৬২৩ জন লোক সর্পদংশনে আক্রান্ত হয়। তা হলে পুরো জনসংখ্যার মধ্যে এই আক্রান্তের সংখ্যাটা কত হবে, ভাবুন!বছরে দেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ছয় হাজারজন মারা যায় সাপের দংশনে।সর্পদংশনের বেশির ভাগ মৃত্যু প্রতিরোধ করা সম্ভব। চিকিৎসার অভাব, অপচিকিৎসা ও কুসংস্কার অনেক মৃত্যুর জন্য দায়ী। সর্পদংশনের পর ভয় না পেয়ে শান্ত থাকুন। এর আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা আছে। দংশিত স্থান কোনোভাবেই কাটা-ছেঁড়া করবেন না; শুধু পরিষ্কার কাপড় বা জীবাণুনাশক লোশন দিয়ে একবার ক্ষতস্থান মুছে নিন। বিষধর সাপে দংশন করলে চওড়া কিছু দিয়ে একটি গিঁট দিন। যেমন—পায়ে দংশন করলে রানে, হাতে দংশন করলে বাহুতে গিঁট দিতে হবে। এটি খুব ঢিলে বা খুব শক্ত করা যাবে না। দংশিত ব্যক্তিকে হাঁটতে দেবেন না এবং দংশিত অঙ্গ নাড়াচাড়া করতে দেবেন না। রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তর করুন। চিকিৎসক যদি মনে করেন বিষধর সাপে দংশন করেছে, তা হলে অ্যান্টিস্নেক ভেনম ও আনুষঙ্গিক চিকিৎসা দেবেন।

অধ্যাপক এম এ ফয়েজ
অধ্যাপক মেডিসিন (অবসরপ্রাপ্ত)
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, অক্টোবর ০৩, ২০১২

Share This
%d bloggers like this: