পুরুষের প্রধান যৌনাঙ্গ হলো লিঙ্গ । লিঙ্গের দৃঢ়তার উপর নির্ভর করে পুরুষের যৌন মিলনে অংশ গ্রহণের ব্যাপারটি । এই লিঙ্গের মধ্য দিয়ে বীর্য এবং মূত্র বের হয় । লিঙ্গ হলো পুরুষের বহিঃ যৌনাঙ্গের মধ্যে অন্যতম । লিঙ্গের সামনে একটি আবরণ ত্বক থাকে । খতনার দ্বারা একে কেটে ফেলা । ইংরেজীতে এই ত্বককে বলে ফোর স্কিন । লিঙ্গে অসংখ্য কোষ কলা রয়েছে । এগুলোর প্রভাবে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় । পুরুষের লিঙ্গের ভেতর সবচেয়ে পুরু কৌষিক ঝিল্লির নাম হলো করপরা কে ভারনোসা ।

অন্ডথলি-
অন্ডকোষ হলো দুটো বলের মতো থলি যেখানে শুক্র তৈরী হয় । এগুলোর স্বাভাবিক পরিমাপ হলো দেড় ইঞ্চি । এগুলো লিঙ্গের নিচে ঝুলে থাকে । পুরুষের যৌন হরমোন এবং বীর্য উৎপাদনই হলো অন্ডকোষ দুটোর কাজ ।

এপিডিডাইমিস-
প্রতিটি অন্ডকোষের উপরের অংশকে এপিডিডাইমিস বলে । এপিডিডাইমিস হলো বীর্যের সংরণের স্থান । টিউব এবং অন্যান্য নালী বেয়ে বীর্য এপিডিডাইমিস থেকে অন্ডকোষে চলে আসে ।

ভাস ডিফারেন্স-
প্রোস্টেট গ্ল্যন্ড থেকে দুটো সেমিনাল কোষ সেমিনাল তরলের মিশ্রণ নিয়ে এপিডিডাইমিসে এসে পৌঁছায়। এই চলাচলের নালী হলো ভাস ডিপারেন্স।এটি পুরুষের আভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গ

প্রোষ্টেট গ্ল্যান্ড –
মূত্র থলির উপরে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের অবস্থান । এই গ্ল্যান্ডের প্রোস্টেট তরল উৎপাদিত হয় শতকরা ৩৮ ভাগ এবং সেমিনাল তরল উৎপাদিত হয় ৬০-ভগ,বাকি এক ভাগ বীর্যে উৎপাদিত হয় ।

সূত্রঃ প্রফেসর ডাঃ মোহাম্মদ ফিরোজ